1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. enamul.kst70@gmail.com : Enamul Haque : Enamul Haque
  3. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ১০:৪০ অপরাহ্ন

ইবিতে বাড়ছে চুরির ঘটনা, আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
  • ২৭ বার

এ আর রাশেদ, ইবি প্রতিনিধি: করোনা মহামারীর কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষালয়ের ন্যায় ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ও (ইবি) বন্ধ রয়েছে। আংশিক প্রশাসনিক কার্যক্রম চললেও বিশ^বিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও সকল প্রকার একাডেমকি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। করোনার এই সময়ে ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ে (ইবি) প্রতিনিয়ত বাড়ছে চুরির ঘটনা। বিশেষকরে সম্প্রতি আবাসিক হলে কয়েকটি চুরির ঘটনায় হলে রেখে আসা প্রয়োজনীয় জিনিসপ্রত্র নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) বিশ^বিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র নাহিদ নুর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনতে যান হলে। রুমে প্রবেশ করে তিনি দেখেন, রুমের সবকিছু এলোমেলো করে রাখা। এরপর আলমারী ও ট্রাংক খুলে দেখেন, বইপুস্তক, জামাকাপড়, জুতা ও অন্যন্য জিনিসপত্র চুরি হয়েছে। একইসাথে চুরির উদ্দেশ্যে ওই হলের ২১৬ রুমের তালাও ভাঙ্গার চেষ্টা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, বেলা ১২টার দিকে হল প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে বই ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনতে হলে যাই। এসময় আমার রুমের (২১৭ নম্বর) সামনে গিয়ে দেখি তালা ভাঙা। এরপর রুমে প্রবেশ করে দেখি, সবকিছু এলোমেলো। আলমারী ও ট্রাংক থেকে আমার বইপুস্তক, জামাকাপড়, জুতা ও অন্যন্য জিনিসপত্র চুরি হয়েছে। একইসাথে ২১৬ রুমের তালাও ভাঙ্গার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে। এ ঘটনায় আমি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েছি।

এদিকে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকাকালে এমন কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রতি বিশ^বিদ্যালয়ের জিয়া হলে একটি চুরির ঘটনার কথা জানান ওই হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে হল থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনতে আমি আমার কক্ষে (১১৭ নং কক্ষ) যাই। রুমে প্রবেশ করে দেখি, আমার ব্যবহৃত অনেক জিনিসপত্র নাই। এর সাথে আমার রুমমেটদেরও জিনিসপত্র চুরি হয়। এ ঘটনার পর থেকে হলে থাকা জিনিসপত্র নিয়ে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বলেন, আমাদের প্রতিটি হলেই সিসি ক্যামেরা আছে। তবে রাতের বেলা মাঝেমাঝে হলের পাশে থাকা লাইটগুলো কারা যেন ঢিল ছুঁড়ে ভেঙে দেয়। লাইটগুলো ভেঙে দেয়ার কারণে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া সম্ভব হয় না। আর তখনি চুরিটা হয়। আমরা বিষয়টি নিয়ে তৎপর রয়েছি।

ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সাদ্দাম হোসেন হলে চুরির বিষয়টি নিয়ে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ হাতে পাইনি। তবে আগের বিষয়গুলো নিয়ে আমরা (প্রক্টরিয়াল টিম) কাজ করছি। গতকালই আমি শৈলকুপা থানায় ক্যাম্পাসে সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলে এসেছি।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640