1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. enamul.kst70@gmail.com : Enamul Haque : Enamul Haque
  3. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
র‌্যাবর অভিযানে ৬ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হেফাজতের তান্ডবে বিএনপি’র মদদ ছিলো : কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হানিফ কুমারখালীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের খামখেয়ালীপনায় অর্ধ শত বসত বাড়ি বালির নিচে শেষ হলো রিক্সা চালকদের ৫০ ঘন্টার প্রতিক্ষার প্রহর! বালিয়াকান্দিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাস্ক বিতরণ কুষ্টিয়া কুমারখালীর ভরুয়াপাড়া মাঠ থেকে এক কৃষকের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ার ১১ মাইল কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষে আহত ২,ড্রাইভার অবস্থা আশংকা জনক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, নিহত ৪ আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে প্রশিক্ষণ নিয়ে কয়েদীরা হচ্ছেন স্বাবলম্বী

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
  • ২৫ বার

দেশতথ্য রিপোর্ট, কুষ্টিয়া ০১ মার্চ ২০২১: কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে কয়েদীদের দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কয়েদীরা কারাজীবন শেষ করে প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে নিজেরা কর্মে নিযুক্ত হতে পারছেন। আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলে নিজেরাই স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

কারা কতৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে আটক বন্দীদের সংশোধন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। এরমধ্যে রয়েছে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্র্রনিক্স, মৎস্য চাষ ও হাস মুরগী পালন, হস্তশিল্প প্রস্তুতকরণ, তাঁতশিল্প, ধর্মীয় শিক্ষাদানের পাশাপাশি নিরক্ষর বন্দীদের স্বাক্ষর জ্ঞানের শিক্ষা প্রদান। এছাড়াও কারাগারে রয়েছে উৎপাদন বিভাগ। উৎপাদন বিভাগ থেকে কয়েদী বা বন্দীরা নিজেরা লুঙ্গি, গামছা, তোয়ালে ও বিভিন্ন ধরণের হস্তশিল্প তৈরী করে থাকে। আর তাদের তৈরী পন্য বিক্রয় করে লভ্যাংশের শতকরা ৫০ভাগ কারাবন্দীদের দেওয়া হয়ে থাকে।

২০২০ সাল থেকে অদ্যাবধি ২৫০ জন বন্দী বা কয়েদীকে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্র্রনিক্স প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এরমেধ্যে ৫০জন জেলার বিভিন্ন স্থানে ইলেট্রনিক্স দোকান দিয়ে তারা আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলে নিজেরা স্বাবলম্বী হয়েছেন। ৫জন কয়েদীকে নগদ ৫হাজার টাকা ও ইলেট্রনিক্স সামগ্রী ক্রয় করে তাদের ইলেট্রনিক্স দোকান করে দেওয়া হয়েছে। ৪১জন বন্দীকে সেলাই ও বুটিকের কাজে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাঁত চালনায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ১৫জনকে। বই বাঁধায় কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ১৯ জনকে। বাংলা স্বাক্ষর জ্ঞান দেওয়া হয়েছে ১৪১৯জনকে এবং ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয়েছে ১৮৬৭জনকে। এছাড়াও করোনাকালীন সময়ে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ১৬০জনকে বেসরকারী সংস্থার সহয়তায় ২৫০০ টাকা সমপরিমানে প্রনোদনা প্যাকেজ প্রদান করা হয়েছে।

শুধু তাই-ই নয় কারাবন্দীদের জন্য রয়েছে বিনোদনের ব্যবস্থা। প্রত্যেক ওয়ার্ডে টেলিভিশন রয়েছে। রয়েছে লাইব্রেরী যেখান থেকে বিভিন্ন ধরণের বই পড়তে পারেন বন্দীরা। রয়েছে পত্রিকার পড়ার ব্যবস্থা। এখানে রয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্ণার। এ কর্ণার থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জানা যাবে তাঁর আত্মজীবনী পড়ে। রয়েছে ইনডোর গেম্স। দাবা, লুডু, ক্যারাম, ভলিবল সহ বিভিন্ন ধরণের খেলার ব্যবস্থা। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে কারাবন্দীদের।

কুষ্টিয়া কারাগারে ধারণ ক্ষমতা ৬০০জন হলেও শনিবার পর্যন্ত ৭৫৬ জন কারাবন্দী ছিল। এরমধ্যে ৩১৭জন সাজাপ্রাপ্ত এবং সাধারণ হাজতি ৪২৯ জন। কারাগারের হাসপাতালে ২৭টি বেড রয়েছে। আর ধারণ ক্ষমতার মধ্যে ৫৯০ জন পুরুষ আর নারী ১০জন।

কুষ্টিয়া কারা কতৃপক্ষ বা জেল সুপার মো. তায়েফউদ্দিন মিয়া জানান, বর্তমান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বন্দীদের মাঝে নিয়মিত সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক সহ অন্যান্য সুরক্ষা সাগ্রী বিতরণ করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বন্দীদের বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষন দেওয়া হয়ে থাকে। পরবর্তীতে বন্দী জীবন শেষে তারা আত্ম কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারে। কারাগার শুধু বন্দী জীবন নয়, এটা সংশোধনগারও বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640