1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. enamul.kst70@gmail.com : Enamul Haque : Enamul Haque
  3. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

কুষ্টিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে বন্ধ করে দেয়া হলো ব্রিজ নির্মাণ কাজ

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
  • ১৭ বার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: পাথরের সাথে বালু মেশানো, পরিমাণে কম দেওয়া, মোটা বালুর পরিবর্তে ফিলিং বালু মেশানো, দিনের পরিবর্তে রাতে ঢালায়, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলাধীন জিসি গোপগ্রাম জিসি সড়কের চেইনেজ এক হাজার একশত মিটারের ২৫ মিটার পিসি গার্ডার ব্রীজের নির্মাণ কাজ। এলাকাবাসীর অভিযোগের সত্যতা পেয়ে রোববার বিকেলে নির্মাণাধীন কাজ বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রকৌশলী অফিস।

এছাড়াও এই গুরুত্ববাহী ব্রীজের নির্মাণ কাজের মেয়াদ শেষ হলেও দৃশ্যমান কাজ না হওয়ায় বেড়েই চলেছে এলাকাবাসীর ভোগান্তি। উপজেলা প্রকৌশলী অফিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্রীজটি নির্মাণে দুই কোটি ৪৯ লক্ষ ৯২ হাজার ১৯৯ টাকা পাঁচ পয়সায় গেল বছরের (২০২০ সাল) ১২ ফেব্রƒয়ারি চুক্তি সম্পন্ন করেন নড়াইল জেলার লোহাগাড়া থানার লক্ষীপাশার মেসার্স নূর কনষ্ট্রাকশন। ওই বছরের ১৯ ফেব্রæয়ারি ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু করার চুক্তি থাকলেও কাজের নমুনা মেলেনি কয়েক মাস পরেও। এরপর নির্ধারিত তারিখে পাঁচ মাস পরে ১৭ জুলাই ব্রীজের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় সাংসদ ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ।

উদ্বোধের পরে কচ্ছপ গতিতে নির্মাণ সামগ্রী ফেলা হলেও নির্ধারিত সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেনি। অবশেষে মাসখানেক আগে ব্রীজের মাটির নিচে কয়েকটি পিলারের কাজ শুরু হতে না হতে গত ২৭ ফেব্রæয়ারি শেষ হয়েছে কাজের মেয়াদ। এক বছর মেয়াদি কাজের মেয়াদ শেষ হলেও দেখা মেলেনি ব্রীজের। এলাকাবাসীর, ব্রীজের পিলার নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে বালু মিশানো পাথর, মোটা বালুর সাথে চিকন বালু ও দিনের পরিবর্তে রাতে চলছে ঢালাইয়ের কাজ। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত সত্যতা মেলায় রোববার বিকেলে উপজেলা প্রকৌশলী অফিস কাজ বন্ধ করে দেয়। নির্মাণাধীন ব্রীজের পাশেই পলাশ হোসেনের হাঁসের খামার। পলাশ উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। ব্রীজ নির্মাণ কাজ প্রসঙ্গে পলাশ বলেন, এই ব্রীজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু ঠিকাদার পাথরের সাথে বালু ও মোটা বালুর সাথে ধূলাবালু মিশিয়ে কাজ করছে। যা সম্পূর্ণ অনিয়ম ও ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি আরো বলেন, অনিয়মের কথা বললেই চাঁদাবাজির হুমকি দেয়। হাসান নামের স্থানীয় এক একজন বলেন, কাজে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে। এভাবে কাজ হলে ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন স্কুল শিক্ষক বলেন, এই ব্রীজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এক বছরেরও ব্রীজের মুখ দেখতে পারলাম না। মানুষের চলাচলের খুব কষ্ট হচ্ছে। ওই ব্রীজ দিয়ে চলাচলকারী কুমারখালী সরকারি কলেজের অনার্স  তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মুরাদ হোসেন বলেন, পাথরের বদলে শুধু বালু পাওয়া যাচ্ছে। আর উপরে মোটা বালু থাকলেও ভিতরে ধুলাবালু। তিনি অভিযোগ করেন, অনিয়ম করতেই দিনের কাজ রাতে করে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাউকে সেখানে খুঁজে পাওয়া যায়নি। কুমারখালী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, বালু মিশানো সহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ব্রীজের কাজ আপাতত বন্ধ কওে দেয়াহয়েছে। কাজের মেয়াদও শেষ হওয়ার কথাও তিনি স্বীকার করেন।

 

 

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640