1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়ায় এক মুক্তিযোদ্ধা কে নিয়ে চলছে সমালোচনা  

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৪ বার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মৃত. আমিনুজ্জামানের ছেলে শেখ আবু হানিফ। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা । তার বয়স নিয়ে সম্প্রতি শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। স্কুল ভর্তির বয়স এক রকম এবং জাতিয় পরিচয়পত্র থেকে বয়স বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আসলেই মুক্তিযোদ্ধাদের মনে নানা প্রশ্নে সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা জানান, আবু হানিফ কখনো মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেনি। অসৎ উপায়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধার সনদ গ্রহন করেছেন। স্কুল ভর্তি এবং জাতীয় পরিচয় পত্রে তার বয়সের স্পস্ট প্রমান রয়েছে। যা তদন্ত করলেই বেড়িয়ে আসবে।

তারা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাচাইয়ের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। ২০০১ সালে জোট সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধার সনদ নেয়ার চেষ্টা চালান। তিনি তখন ব্যার্থ হলে পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ১২ মে ৯৮ গেজেটের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হন। কিন্তু তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে কে,এস,এম ঢাকা মিনাপাড়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ট শ্রেনীতে ভর্তি হন। এই বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের প্রনয়ন করা প্রত্যয়ন পত্র থেকে জানা যায় তখন তার বয়স ছিলো ১০ বছর। পরে ১৯৭২ সালের ৫ এপ্রিল ঐ বিদ্যালয় থেকে টি,সি নিয়ে আবু হানিফ অনত্র ভর্তি হন। তখন তার জন্ম তারিখ ছিলো ৪ /০৯/১৯৬০।

এদিকে জাতীয় পরিচয় পত্রে বয়স বৃদ্ধির পূর্বে ১৯৮৬ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বয়স ছিলো ৮ বছর ৭ মাস। তৎকালিন সময়ে ঢাকা নির্বাচন অফিসে অঅবু হানিফের চাচাতো ভাই ওমর ফার“কের মাধ্যমে বয়স বৃদ্ধি করে নেন। উক্ত সকল তথ্যের উপর তদন্ত করলে তার মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কারচুপি বেড়িয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক এক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। এদিকে ২০১৭ সালে কুষ্টিয়া সদরের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটি কর্তৃক অমুক্তিযোদ্ধা প্রমানিত হয়। তখন দিধা বিভক্ত রায় কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয় এবং নোটিশ বর্ডে টাঙিয়ে দেয়। পরবর্তিতে আবু হানিফ আপিল করে কমিটির অসাধু ব্যাক্তিদের ম্যানেজ করে আবারও নাম অন্তর্ভুক্ত করে নেন। এই বিষয়টি তৎকালিন সময়ে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়াতে তার বিষয়টি ফলাও করে সংবাদ প্রকাশ করে।

আবু হানিফের বিষয়ে আরো জানা যায়, তিনি ১৯৯৩ সালে হত্যা মামলার সাজা ভোগ করে জেল থেকে বের হন। সে সময়ের সংসদ সদস্য চন্টু তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরন করে নেন। তার মামলঅ নং- ১২/৮১। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা যুব দলের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। জেল থেকে বের হয়ে আবু হানিফ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর সালঅম মাস্টারের সাথে সক্রীয় ভুমিকা রাখেন। তার পরিবারের সকল সদস্য এখনও জামায়াতের বিএনপি, চরমোনাই এবং জাতীয় পার্টির সক্রীয় নেতা কর্মী।তার চাচাতো ভাই সাবেক মেম্বার মাহাতাব উদ্দিন ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিএপির প্রকাশনা সম্পাদক।তার আপন ভাই শেখ শিহাব চরমোনইয়ের রোকন।এ বিষয়ে আবু হানিফকে জামায়াত বিএপির সাথে সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আওয়ামী লীগের দুজন নেতা। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই করে অমুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা ।

 

দেশতথ্য//এল//

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640