1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. enamul.kst70@gmail.com : Enamul Haque : Enamul Haque
  3. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন

বেসরকারি প্রাথমিক স্কুলকে ভূয়া কাগজ দেখিয়ে সরকারি করার চেষ্টা

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৩ বার

স্টাফ রিপোর্টার:
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মনোহরদিয়া ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামে ভুয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য দুর্নীতির চেষ্টা চলছে।
ফকিরপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ অপচেষ্টা চালাছে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধাণ শিক্ষক সাইদুর রহমান। শর্তপূরণ না করে, প্রকল্পভুক্ত এবং সদ্য গজিয়ে ওঠা বিদ্যালয় এটি। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ তৎপরতা চালাচ্ছে।

একটি সুত্রে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান জাতীয়করণের কাগজপত্র প্রতারণার মাধ্যমে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রাথমক শিক্ষা অফিসে জমা দিয়েছে।

এলাকাবাসি জানায়, গত দুই বছর আগে ফকিরপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়। একসপ্তাহ আগে ওই বিদ্যালয়ে সাইনবোর্ড লাগানো হয়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দাবি করেন— ২০১০ সাল থেকে এখানে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে।

এবিষয়ে এলাকাবাসি জানায়, গত ৫ মাস আগে এই বিদ্যালয়ের নামে ৩৪ শতক জমি দিয়েছেন হাফিজুর রহমান ও এনামুল হক।

ওই গ্রামের করিম মন্ডলসহ একাধিক ব্যক্তি জানায়, এখানে বছর দুই আগে একটি টিনের বড়ঘর তৈরি করে হয় ও কিছু বেঞ্চ দিয়ে কোচিং সেন্টার বানানো হয়। হঠাৎ করে আমরা দেখতে পাই সেখানে ফকিরপারা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জনপ্রতিনিধি জানায়, কয়েকদিন আগে সাইনবোর্ডটি দেওয়া হয়েছে। এই গ্রামের কোনো শিক্ষকই শিক্ষকতা করেন না। একবছর কোনো ছাত্রছাত্রী যায় না। এবারে বিজয় দিবসের সময় সাইদুর রহমান গ্রাম থেকে বাচ্চাদের ডেকে নিয়ে গিয়ে বিজয় দিবস পালন করে ও ছবি ওঠায়।

এব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে এখানে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। ৫ মাস আগে ৩৪ শতক জমি দান করেছেন হাফিজুর হাফিজ। ম্যানেজিং কমিটি নেই।

এলাকাবাসি জানায়, সাইদুর রহমান একাই বিদ্যালয়ের ভূয়া কাগজপত্র করে বিভিন্ন লোকের চাকরি দেওয়ার জন্য টাকা চাচ্ছেন। অনেকেই গোপনে টাকা দিয়েছেন। ইতিপূর্বেও এই সাইদুর রহমান ওই গ্রামের ওহাব আলীর ছেলে রফিকুল (৩৫) কে হাইকোর্টের এমএলএস পদে চাকরি দেওয়ার নামে ৪লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহন করে। পরে ভূয়া নিয়োগপত্র দেয়। রফিকুল তাকে জমি বিক্রি করে টাকা দিয়ে পথে বসেছে।

এব্যাপারে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার সিরাজুম মনিরা বলেন, ২০১৩ সালের পর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরন বন্ধ রয়েছে। ফকিরপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

দেশতথ্য//এল//

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640