1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

সহকারী জজ পদে উত্তীর্ণ হলেন ইবি’র ৬ শিক্ষার্থী

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭৭ বার

ইবি প্রতিনিধি:

 

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা (বিজেএস)-২০১৯ এ সহকারী জজ পদে উত্তীর্ণ ও মনোনীত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগের ছয় শিক্ষার্থী। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শরীফ এ এম রেজা জাকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

 

প্রকাশিত ফলাফলে ১০০ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ ও মনোনীত হয়েছেন। এর মধ্যে ইবির আইন বিভাগের ছয় শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ ও মনোনিত হয়েছেন। যার মধ্যে চারজনই মেয়ে।

 

তারা হলেন- ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের আরিফা আক্তার (মেধাক্রম-৮ম), ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের যথাক্রমে আয়েশা সিদ্দীকা (মেধাক্রম-৯৬) ও অর্পিতা আক্তার (মেধাক্রম-৩১) এবং ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের লাবনী খাতুন (মেধাক্রম-৬৫)। এছাড়া ছেলেদের মধ্যে ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের সাদ্দাম হোসাইন (মেধাক্রম-৫৮) এবং ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মো: মেহেদী হাসান (মেধাক্রম-২৯) উত্তীর্ণ ও মনোনীত হয়েছেন।

 

টানা চারবার পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এবারেই উত্তীর্ণ ও মনোনীত হয়েছেন মেধা তালিকায় ৮ম স্থান অধিকারী আরিফা আক্তার। এর আগেও কয়েকবার প্রিলি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। বারবার ভাইভা বোর্ড থেকে ফিরে এলেও হাল ছাড়েননি আরিফা। ধৈর্য্য ও অধ্যবসায়ের মধ্যদিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছেন জীবনের সেরা প্রাপ্তিটুকু।

 

সফলতার অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি খুব মেধাবী নই। আবার এ সফলতা ও অভিজ্ঞতাটাও অন্যদের তুলনায় কষ্টের। যেকোন প্রাপ্তির পেছনে আল্লাহর সন্তুষ্টি, চেষ্টা ও বাবা মায়ের দোয়া কাজে দেয়। বাবা বেচেঁ নেই তাই শুধু আম্মা দোয়া করেছেন। এখনকার চাকরী মেধার চেয়ে ধৈর্য্যরে উপর বেশি নির্ভর করে। তাই ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে গেলে সফলতা আসবেই। বাঁধাবিহীন সফলতার আনন্দ কম, তাই বাঁধাটা থাকাই ভাল।

 

এদিকে প্রথমবারেই সহকারী জজ পদে উত্তীর্ণ হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান। আইন বিভাগের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিনিই সহকারী জজ পদে উত্তীর্ণ ও মনোনীত হলেন। এ অভাবনীয় সাফল্যের কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, খুবই আনন্দিত ও উচ্ছ¡সিত বোধ করছি। নিয়মিত পড়াশুনা, সিরিয়াস না হয়ে সিন্সিয়ার হওয়া, হাতের লেখা ভালো করা, নিজস্ব হ্যান্ডনোট তৈরি সহ বিগত বছরের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে স্বচ্ছ ধারণা নেওয়ার মাধ্যমে আমি এ সাফল্যের মুখ দেখেছি। সর্বপরি সকলের দোয়া ও ভালোবাসাই ছিল অনুপ্রেরণার মূল উৎস।

 

শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল বলেন, ‘ উত্তীর্ণ ছয় শিক্ষার্থীকে আমার নিজের ও বিভাগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন। তবে সংখ্যাটা আরো বেশি হওয়া উচিত ছিল। শুধু আইন বিভাগ নয়, অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও তাদের অর্জিত জ্ঞান মানবসেবায় কাজে লাগাতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য সাধিত হয়। ’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640