1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন

মির্জাপুরে রাস্তা দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মানের অভিযোগ

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫ বার

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, মির্জাপুর(টাঙ্গাইল)সংবাদদাতা:
জমি ও এলাকাবাসির যাতায়াতের রাস্তা দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং পাকা স্থাপনা নির্মানের অভিযাগ উঠেছে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। রাতের আধাঁরে রাস্তার উপর দোকান নির্মান করায় চরম বিপাকে পরেছে এলাকাবাসি। বিদ্যালয়ের জমি রক্ষা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও রাস্তা দখলমুক্ত করার জন্য ভুক্তভোগি এলাকাবাসি প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১০ নং গোড়াই ইউনিয়নের ১২১ নং সৈয়দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন গোড়াই মমিননগর সৈয়দপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার ঘটনাস্থলে গেলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকার লোকজন ঘটনার সত্যতা তুলে ধরেন।
জানা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আঞ্চলিক রোড গোড়াই-সখীপুর –ঢাকা রোড সংলগ্ন ১২১ নং সৈয়দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলী জানান, গোড়াই ইউনিয়নের সৈয়দপুর মৌজার ২৪৩৩ নং দাগের ৯০৭ খতিয়ানের মধ্যে ৭০ শতাংশ জমি রয়েছে বিদ্যালয়ের নামে। এই জমিতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে খাজনা নিয়মিত পরিশোধ করা হচ্ছে। সৈয়দপুর গ্রামের গ্রামের আব্দুল মজিদ খানের ছেলে মো. আজম খান(৫৫) বিদ্যালয়ের ২০ শতাংশ জমি প্রভাব খাটিয়ে রাতারাতি পাকা ভবন নির্মান করছে। সেই সঙ্গে পাশের রাস্তা দখল করে রাতের আধাঁরে রাস্তার উপর পাকা ঘর ও দোকান নির্মান করছে। তাকে বারবার নিষেধ করার সত্তেও তিনি পাকা ভবন নির্মান থেকে বিরত না হওয়ায় বিদ্যালয়ের জমি রক্ষা ও রাস্তা উদ্ধারের জন্য এলাকাবাসির পক্ষে ইউপি সদস্য ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আদিল খান বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। আজম খানের পাশাপাশি ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেন মাষ্টার নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগিরা বিদ্যালয়ের জমির উপর পাকা ভবন নির্মান করেছে।
এ ব্যাপারে মো. আজম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সৈয়দপুর মৌজায় ২৪৩৫ নং ও ২৪৪৮ নং দাগের মধ্যে আমার পিতা মো. মজিদ খান, কেশব সরকার ও গয়ানাথ সরকার ৫০ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করে দিয়ে সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিদ্যালয়ের পাশে ২৪৩৩ দাগের মধ্যে আমার স্ত্রী নীনা আজমের নামে ৮৫ শতাংশ জমি রয়েছে। আমি সেই জমির উপর পাকা ভবন নির্মান করতে গেলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও এলাকবাসির মধ্যে কিছু লোকজন বাঁধা দিয়ে পাকা ভবন নির্মান কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি দাবী করেন, আমি বিদ্যালয়ের কোন জমি জবর দখল করিনি।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়দেব সরকার বলেন, এটা বিদ্যালয়ের জমি। এলাকার কিছু লোকজন বিভিন্ন ভাবে দলিল তৈরী করে বিদ্যালয়ের জমি জবর দখলের চেষ্টা করছেন। বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার ও রাস্তা দখল মুক্ত করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন।
মির্জাপুর থানার পুলিশ অফিসার (এসআই) মো. আলাউদ্দিন বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে

দেশতথ্য//এল//

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640