1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়া জেলার সকল সংবাদ

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৫ বার

কুষ্টিয়ায় সহকারি শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

এনামুল হক, কুষ্টিয়া:
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার জানিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক কহিনুর আলম’র সনদ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কহিনুর আলম গত ২০১২সালে ২৪ জুলাই সহকারি শিক্ষক হিসাবে ওই স্কুলে যোগদান করেন।
প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ আলি দূর্নিতি, অনিয়ম ও জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ঐ শিক্ষককে ভোকেশনাল শাখায় বিজ্ঞান শিক্ষক হিসেবে
নিয়োগ দিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানাযায়, রোল নন্বর ৩১৯১০২১৭, রেজিস্ট্রিশন নং ১০০০০৪৫৫২২। পাসের সাল ২০১০। যা কহিনুর আলমের নয়। তিনি অন্য জনের নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে চাকরি করছেন। সূত্র জানায়, কহিনুর আলম প্রধান শিক্ষকের খালাত ভাই। তাই তিনি জেনেও না জানার ভান করছেন। এ বিষয়ে খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবা উদ্দিন ও জানিপুর মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাথে কথা হলে তিনি বলেন এবিষয় আমি জানি না, তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত পূবর্ক ব্যবস্তা নেব।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জায়েদুর রহমান বলেন, নিয়োগ পক্রিয়া সমন্ধে আমাদের
কোন ভূমিকা নাই। সকল দায়দায়িত্ব ম্যানেজিং
কমিটির। শিক্ষক কহিনুর আলম কে তার জাল সনদ এর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার সনদ ঠিক আছে। এছাড়াও প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত। টেণ্ডার আহবান না করেই নির্মাণ করেছে প্রায় ৪০টি দোকানঘর। করা হয়েছে পুকুর পাড়ে গইড ওয়াল। এখানেই খ্যান্ত হননি মোহাম্মদ আলি। ৭/৮ টি দোকানঘর দেওয়া হয়েছে শ্বশুর,স্ত্রী, ও ভাতিজাদের নামে। পুকুর ইজারা না দেওয়া, ভবনের বারান্দায় গ্রিল লাগানোর নামে ভূয়া বিল ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্নসাৎ আভিযোগ ও রয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ২০১৬ সালে ১৩ জুলাই ৩৭.০২.০০০০.১০৬.৪৯.০০২.১৫-৯৭৬ নং স্মারক কে এক পরিপত্র জারি করে যে নিয়োগ ও অর্থ বিদ্যালয় তহবিল থেকে ব্যয় করা যাবে না। অথচ গত আগস্ট মাসে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে মামুন জোয়াদ্দার নামে দেওয়া হয়েছে নিয়োগ । এক ঝুড়ি অনিয়ত আর দূর্নিতি নিয়ে চলচ্ছে স্বনামখ্যাত এ বিদ্যালয়টি

মিরপুরের মালিহাদ আ.লীগের নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা মালদাহ আওয়ামীলীগের তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে বাজিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়েতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে আগামী ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন আশাকরে মালিহাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হয়ে গরীব দুঃখী ও মেধাবী অসহায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করবেন বলে আশ^াস দেন মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আকরাম হোসেন।
এসময় করোনা মহামারী প্রতিরোধ, ধর্ষণ বিরোধী পদক্ষেপ সহ বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা করা হয়।
নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মালিদাহ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নোয়াব আলী, মিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সহ স্থানীয় নেতা কর্মী বৃন্দ।

 

মোটা চাল কেটে চিকন করে বেশি দামে বিক্রি 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
বাজারে বিভিন্ন নামে যেসব চিকন চাল পাওয়া যায় তার বেশীরভাগ উৎস মোটা ধান। চিকন ধান থেকে এসব চিকনচাল আসেনি। এসেছে মোটা ধান থেকে। এভাবে মোটা চাল কেটে চিকন করে বেশি দামে বিক্রি করে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে এক শ্রেণির অসাধু মিল মালিক। এই প্রতারণা রোধে বাজারে থাকা চালের উৎস ধানের জাত নির্ণয়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ২১টি জেলায় একটি সমীক্ষা চালানো হবে। এই তালিকায় রয়েছে যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, বগুড়া, নওগাঁ, সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, রংপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, জামালপুর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা।
জানা গেছে তালিকায় কুষ্টিয়ার ৪টি চালকল রয়েছে। এসব জেলা থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন নাম ব্র্যান্ডের চাল কোন কোন জাতের ধান থেকে তৈরি করা হচ্ছে, তা নির্ণয় বা অনুসন্ধানের জন্য খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) ১৩ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, চালকল মালিকরা মোটা চাল চিকন করে মিনিকেট, নাজিরশাইল, কাজল নামে বাজারজাত করছেন। এতে মোটা চালের ভেতরের অংশ বেশি দামে কিনে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়া চালের উপরিভাগে যে পুষ্টি থাকে তা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন ওই চালের ভোক্তা। এতে স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। ধান গবেষণা, বিএডিসি ও কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্যমতে, দেশে উৎপাদিত চালের ৮৫ শতাংশই মোটা, আর ১৫ শতাংশ চিকন।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দেশে বোরো ও আমন মৌসুমে ব্যাপকভাবে চাষ হয় ব্রি ২৮ ও ব্রি ২৯ ধান। কিন্তু চালের বাজারে এই নামে কোনো চাল নেই। বাজারে মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে চাল পাওয়া যায়, কিন্তু এই নামে ধানের কোনো জাত নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্রি-২৮ এবং কিছু ক্ষেত্রে ব্রি-২৯ ধান কেটে ‘মিনিকেট’ নামে বাজারজাত করা হয়। একইভাবে ব্রি ২৯ ধান অধিক ছাঁটাই ও পলিশ করে চালের নাম দেয়া হয় ‘নাজিরশাইল’। বাজারে অনেক ব্র্যান্ডের চাল বিক্রি হচ্ছে। চালকল মালিকরা অটো রাইস মিলে চাল তৈরি করে নিজস্ব নামে ব্র্যান্ডিং করে বাজারে দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার খাজানগরের কয়েকজন চালকল মালিক ও চাল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান সারাদেশের মধ্যে কুষ্টিয়ার চালকল গুলোকে এ ধরনের প্রতারনার শীর্ষে পাওয়া যাবে।
জানা গেছে এখানে চালকল মালিকরা প্রকাশ্যেই মোটা চাল মেশিনে দিয়ে চারপাশ থেকে ছেঁটে ফেলে চিকন করে মিনিকেট, কাজল লতা ও ব্রি-২৮ নামে বিক্রি করছেন। কমদামের মোটা চাল চিকন করে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা করে বাড়তি দাম পাচ্ছেন মিল মালিকরা। আর চালের ছেঁটে ফেলা অংশ চালের গুঁড়ি হিসেবে বিক্রি করে পাচ্ছেন বাড়তি মুনাফা।
মোটা চাল চিকন করে মিনিকেট, কাজল, ব্রি-২৮ নামে বাজারজাত করার কথা স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ অটো রাইস ও মেজর হাস্কিং মিল মালিক সমিতির সভাপতি ও রশিদ অ্যাগ্রো ফুডের মালিক আবদুর রশিদ।
তিনিই প্রথম আধুনিক মেশিনে মোটা চাল চিকন করে মিনিকেট নামে বাজারে ছাড়া শুরু করেন। ধান ও কৃষির সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন সংস্থাও এ তথ্য স্বীকার করেছে।
এর আগে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনেও বলা হয়, দেশে মিনিকেট নামে আদতে কোনো ধান নেই। মোটা চাল মেশিনে চিকন করে মিনিকেট নামে বিক্রি করছে মিল মালিকরা।
ধান গবেষণা, বিএডিসি ও কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্যমতে, দেশে উৎপাদিত চালের ৮৫ শতাংশই সেকারণে সরকারিভাবে চালের মূল্য নির্ধারণেও মোটা চালকে ধরে কেজিপ্রতি ৩১ টাকা থেকে ৩৫ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কুষ্টিয়া আঞ্চলিক শাখার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, মোট উৎপাদিত চালের ১৫ ভাগ চিকন।
দেশের সবচেয়ে বড় চাল ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ বলেন, দেশের চিকন, মাঝারি চিকন ও লম্বা চাল মেশিনে দিয়ে আরও সরু করে মিনিকেট নামে বাজারে ছাড়ছে চালকলগুলো। এই চালের মান যাচাইয়ের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন চালকল মালিক বিভিন্ন ব্র্যান্ড ব্যবহার করে মিনিকেট বাজারে ছাড়ছেন। অন্য মিলগুলোর মিনিকেটে বিভিন্ন জাতের চালের মিশ্রণ থাকার কথা জানালেও নিজের চালের ক্ষেত্রে এ অভিযোগ স্বীকার করেননি রশিদ।

কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বলেন, মোটা ও মাঝারি মোটা চাল চিকন করে বাজারে মিনিকেট নামে বিক্রি হচ্ছে । কুষ্টিয়া বড় বাজারে চালের আড়ত মালিক রাজু আহমেদ বলেন, ক্রেতাদের সবাই চিকন চাল চান। সারা দিনে যত চাল বিক্রি হচ্ছে, তার বেশির ভাগই চিকন চাল। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের প্রধান ড. মো. আবুল কাশেম তালুকদার বাজার থেকে জনপ্রিয় আটটি ব্র্যান্ডের মিনিকেট নামের চালের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেন । তাতে দেখা গেছে, সব ব্র্যান্ডের চালই মোটা চাল কেটে-ছেঁটে পলিশ করে চিকন করা হয়েছে । স্বাভাবিক চাল থেকে যে ফ্যাট ও ভিটামিন বি-২সহ যেসব খাদ্য ক্যালরি পাওয়ার কথা, বাজারে বিক্রি হওয়া মিনিকেটে তার কিছুই নেই।

 

জাসদের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “বৈষম্যের অবসান করো-সমাজতন্ত্রের পথ ধরো” শ্লোগানকে ধারণ করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য কর্মসূচী পালন করছে কুষ্টিয়া জেলা ও উপজেলা জাসদ নেতাকর্মীরা।
শনিবার সকাল ১০টায় জেলা জাসদের সভাপতি হাজি গোলাম মহসিন এর সভাপতিত্বে কুষ্টিয়া পৌরসভার বিজয় উল্লাস চত্বরে সমাবেশের পর দলীয় ব্যানার ফেষ্টুন ও প্লাকার্ড সজ্জিত একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে কেক কাটার মধ্যদিয়ে নেতাকর্মীরা দিনটি উদযাপন করেন। একই ভাবে জেলার ভেড়ামারা, মিরপুর, দৌলতপুর, খোকসা ও কুমারখালী উপজেলাতেও দিবসটি পালন করেন উপজেলা নেতাকর্মীরা। এসময় বক্তব্য রাখেন, জেলা জাসদের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম মকলু, সদর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, সহসভাপতি আকতার হোসেন, জাতীয় শ্রমিক জোট কুষ্টিয়ার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, যুবজোট কুষ্টিয়া জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হাসান, আবু তৈয়ব প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের সাধারণ জনজীবনে পাহাড়সহ বৈষম্যের বিলোপ ঘটিয়ে সংবিধান সন্নিবেশিত সমাজতন্ত্রের পথ বিনির্মানে জাসদ ঘোষিত কর্মসূচী বাস্তবায়নে যেসব দাবি তোলা হয়েছে তা আদায়ে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অবিলম্বে দুর্ণীতি লুটপাট অন্যায় অবিচার অনাচারের অবসানসহ সুশাসন নিশ্চিতে উদ্যোগ নিতে হবে। সার্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য সেবা, খাদ্য নিরাপত্তা ও শিক্ষার সাথে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা সুবিধাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে গণ্য করতে হবে। করোনা সংক্রমন বিস্তার রোধে নমুনা পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবার সম্প্রসারণসহ রাষ্ট্রীয় ভাবে সকলের জন্য ভ্যাক্সিন সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে হবে। বাজার সিন্ডিকেট দমন করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতিবাজ লুটেরা গুন্ড-পান্ডা, ধর্ষক ও অপরাধীদের সাথে রাজনৈাতিক নেতা ও অসৎ পুলিশ অফিসারদের আতাত নির্মুল করতে সর্বস্তরে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। সেই সাথে সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগ্রামকে জোড়দার করে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। এসব দাবি আদায় ও বাস্তয়নে দেশব্যাপী জাসদ সংগঠিত সকল আন্দোলন সংগ্রামে যোগদান করতে নেতাকর্মীদের উদ্বাত্ত আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

দেশতথ্য//এল//

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640