1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

হাটহাজারীতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অনুদানের তালিকায় নয় ছয়ের অভিযোগ

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০ বার

হাটহাজারী(চট্টগ্রাম)সংবাদদাতাঃ
হাটহাজারী পৌরসভায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অনুদানের তালিকায় নয় ছয় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই তালিকায় অসহায় হতদরিদ্রদের নাম থাকলেও বেশ কয়েকজন হতদরিদ্র তাদের প্রাপ্য টাকা না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন । এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে পৌর সচিব ও পিআইও সাংবাদিকদের তথ্য দিতে গড়িমসি করেন বলেও জানা গেছে।

সরেজমিনে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর ২৫০০ টাকা অনুদানের তালিকায় পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড়ের ৮জনের নাম ও জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর থাকলেও তাদের সবগুলোতে বিকাশ মোবাইল নাম্বার (০১৮১৯৩৯১৫৪)দেয়া হয়েছে একটি। অনেকেই বলেছেন ওই নাম্বারটি হাটহাজারী পৌরসচিবের। তবে তালিকায় যাদের নাম ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর রয়েছে তাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান ২৫০০ টাকা পেয়েছেন কিনা এবং উক্ত মোবাইল নাম্বার আপনাদের কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে তারা বলেন, “নাম ঠিকানা ও আইডি নাম্বার আমাদের হলেও কোনো টাকা পয়সা আমরা পাইনি আর উক্ত বিকাশ মোবাইল নাম্বারও আমাদের না।” হত দরিদ্রদের বঞ্চিত করে টাকা গুলো কোথায় গেল এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। এছাড়াও পৌর এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, পৌর সচিব আসার পর থেকেই তার নামে নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তার এমন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে স্থানীয়রা সরকারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ওই সচিবের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে পৌরপ্রশাসকের নিকট সোলায়মান নামের এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগও দিয়েও কোনো ফল পায়নি।

পৌর সচিব বিপ্লব চন্দ্র মুহুরীর কাছে একই বিকাশ নাম্বার বিভিন্ন জনের তালিকায় দেয়া যায় কিনা এবং উক্ত বিকাশ নাম্বার তিনার কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, “প্রথমেই এমন নির্দেশনা ছিল পরবর্তীতে সেটা সংশোধন করা হয়। তবে একটি বিকাশ নাম্বারে দ্বিতীয় বারে টাকা আসার কোন সুযোগ নেই।” পরে সংশোধিত তালিকার কপি দেখতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা উপজেলা পিআইওর কাছে জমা দিয়ে দিয়েছি, সেখান থেকে নিতে পারেন।” তবে আমাদের হাতে থাকা তালিকা দেখিয়ে তা ঠিক আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি তালিকাটি ঠিক আছে বলেও জানান।

এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহিদুল শাহ এর কাছে গিয়ে তালিকার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, সব তালিকা তো তারাই আমাদের কাছে মেইলে পাঠায়। একটু পরেই তিনি কথা ঘুরিয়ে বলতে লাগলেন, একটা সফটওয়্যার আছে সেটাতে কয়েকবার তারা ২শত তালিকা সংশোধন করে পাঠিয়েছেন। সেগুলো আছে কিনা খোজে দেখতে হবে। পেলে তিনি প্রতিবেদক কে জানাবেন এবং তালিকাগুলো নিতে হলে ইউএনওর অনুমিত লাগবে বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, পৌরসভা থেকে অন্তত ১৫শত জনের নামসহ আনুমানিক ৬হাজার ৮শত জনের তালিকা দেয়া হয়েছে। পৌরসভায় যেভাবে অনুদান না পাওয়ার অভিযোগ আসছে সেভাবে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে কোনো তথ্য এসেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, “হাতেগুনা কয়েকজন বলতে শুনেছি।”

এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)রুহুল আমিন জানান, একই বিকাশ নাম্বারে দুইবার টাকা আসার কোন সুযোগ নেই। এমন কোনো তালিকা যদি থাকে সেটা আমাকে দিলে আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

দেশতথ্য//এল//

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640