1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়া জেলার সকল সংবাদ

  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৬ বার

কুষ্টিয়ায় গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর
এম.লিটন-উজ-জামান, কুষ্টিয়া: মুজিব শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পিপিপি বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা (সচিব) সুলতানা আফরোজের নিজস্ব পৃষ্ঠপোষকতায় গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে।
গতকাল সকাল ১০ টায় শহরতলীর বাড়াদী মাঠপাড়া এলাকায় এ চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালন গবেষক ও নর্দান বিশ^বিদ্যালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আনোয়ারুল করীম ও বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পিপিপি বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) সুলতানা আফরোজ। এসময় অতিথিরা বাড়াদী গ্রামের হামিদুল ইসলামের স্ত্রী জোসনা খাতুন ও একই এলাকার সুন্দরী খাতুনের হাতে নির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন।
এ সময় বিশেষ অতিথি সুলতানা আফরোজ বলেন, আমি এই মাটির সন্তান,এই মটিতে আমার জন্ম ,এই মাটি মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে চাই। মুজিব বর্ষে অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। আমি সরকারের একজন কর্মকর্তা হয়ে আমার নিজ জেলার অসহায়-দরিদ্র মানুষের পাশে তাদের একজন হয়ে থাকতে পারি।
প্রধান অতিথি ড.আনোয়ারুল করীম বলেন,ভালো মানুষ হলে ভালো কিছু করতে হবে। সমাজ অবক্ষয়ের এক দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আমাদের আজ অঙ্গিকার করতে হবে। এই সমাজ সংসারের জন্য আলোর পথ দেখাতে হবে আমাদের নতুন প্রজন্মদের। সুশিক্ষার আলো ধারন করে তারা মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এই সমাজ সংস্কারে। আজ যাঁরা দেশ পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে তাদের মধ্যে আমার কন্যা সুলতানা আফরোজও একজন। আজকের এই মহতী উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানায়। তিনি আজ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তার নিজ অর্থায়নে দরিদ্র মানুষের ঘর নির্মান করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল আমি বাবা হয়ে সত্যিই গর্বিত।
গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহজালালসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি।

কুষ্টিয়ায় ভূমি অফিসের তহশীলদার কারাগারে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিশ্বনাথ সাহার বিরুদ্ধে ভূমি উন্নয়ন করের আদায় কৃত টাকা আত্মসাতের অপরাধে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বিশেষ আদালতের বিচারক মোঃ আশরাফুল ইসলাম।

অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯১৩ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৯ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ২০/২০১৭ নং মামলায় বিশেষ আদালতের বিচারক মোঃ আশরাফুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি বিশ্বনাথ সাহার উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করা হয় এবং তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন বিশেষ আদালতের বিচারক মোঃ আশরাফুল ইসলাম।

মামলার বিবরণে জানা যায়, অভিযুক্ত বিশ্বনাথ সাহা ২০১২-১৩ অর্থবছরে চিথলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মকালীন সময়ে ১ লাখ ৬০ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৪ লাখ ৫ হাজার ৯৪৫ টাকা সর্বমোট ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৯১৩ টাকা আদায় করে। আদায়কৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করে। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বঞ্চিত হয়।

বিষয়টি উপজেলা ভূমি অফিসের সন্দেহ হলে ৯-৬-২০১৪ সালে মিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসার শেখ মাহমুদুল করিম বাদী হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মিরপুর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে এই মামলা দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করা হয় দীর্ঘ ছয় বছর দুই পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালতের বিচারক মোঃ আশরাফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন দুর্নীতি কমিশন কুষ্টিয়ার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আল মুজাহিদ হোসেন মিঠু।

কলেজ বন্ধ থাকলেও হোস্টেল ভাড়া পরিশোধের জন্য নোটিশ!

 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজে ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের কারণে গত এপ্রিল থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণার কারণে হোস্টেল বন্ধ রয়েছে। বর্তমানেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হোস্টেল বন্ধ রয়েছে। এরই মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর হঠাৎ করেই ৫ হাজার ৪ টাকা পরিশোধের নোটিশ ধরিয়ে দিয়েছে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সফিকুর রহমান খান।
গত অর্থবছরে জুন পযর্ন্ত টাকা অগ্রিম পরিশোধ ছিলো শিক্ষার্থীদের। করোনার কারণে বন্ধ থাকলেও গত জুলাই থেকে হোস্টেলে সিটভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, বাবুর্চি, সুইপার, নাইটগার্ট ও অন্যান্য কর্মচারীদের খরচের জন্য শিক্ষার্থীদের উপর এই টাকা পরিশোধের জন্য চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে হঠাৎ করেই বাসাবাড়িতে অবস্থানকালে বিপদে পড়েছে শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকেরা। হোস্টেলে না থেকেও টাকা পরিশোধ করতে হবে এ কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও গুঞ্জণ শুরু হয়েছে।
করোনায় হোস্টেল বন্ধ তবুও টাকার জন্য নোটিশ শিরোনামে কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে আরো টনক নড়ে ওঠে সবার। কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজের কয়েকজন শিক্ষক, কর্মচারী ও হোস্টেলে সিট আছে এমন শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে, করোনার কারণে টুটাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই প্রকতপক্ষে বন্ধ রয়েছে। প্রথমদিকে কিছুদিন করোনার ভয়াবহতার কারণে অফিসও বন্ধ ছিলো। পরবর্তীতে শুধু অফিস ও অনলাইন ক্লাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখনও কলেজ খোলার সরকারি কোন নোটিশ দেওয়া হয়নি কিন্তু অধ্যক্ষ হোস্টেল সুপারের সাথে পরামর্শ করেই বড় অংকের টাকার জন্য নোটিশ দিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে হোস্টেলে এখন কোন বাবুর্চি নেই। যেহেতু হোস্টেল ফাকা সেহেতু বিদ্যুৎ বিল শুধু মিনিমাম চার্জ এবং সুইপার খরচের তো প্রশ্নই আসে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলেজের এক কর্মচারী জানান, অধ্যক্ষ ব্যক্তিগতভাবে টাকা উঠানোর ফন্দি এটেছেন। তিনি টাকা ছাড়া কিছু বোঝেন না। এই টাকা বিভিন্নখাতে খরচ দেখিয়ে তিনি বিল তৈরি করবেন।
এ বিষয়ে গত ২০ অক্টোবর। কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সফিকুর রহমান খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সুইপার, বাবুর্চি ও নাইট গার্ডের বেতন দেওয়ার জন্যই এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ না থাকে ওরা চলে যাক।নতুন ছাত্রী আসলে আমরা তাদের সিট দিব।

মিরপুরে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য শিশুর ভ্রুন উত্তোলন

হুমায়ূন কবির হিমু, মিরপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতাঃ কুষ্টিয়ার মিরপুরে ধর্ষকের পরিচয় নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আদালতে নির্দেশে এক শিশুর ভ্রুন মাটি চাপা দেয়া স্থান থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের মাজিরহাট চকপাড়া নামকস্থান থেকে ওই ভ্রুন উত্তোলন করা হয়।
এ সময়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রকিবুল হাসান, মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুন্সী মাফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায় ওই গ্রামের দাউদ মাষ্টারে ছেলে নুরুজ্জামান পলাশ (৩৭) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্বামী পরিত্যাক্ত এক নারীকে (২৫) ধর্ষন করে আসছিলো। এতে ওই নারী ৮ মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। পরে প্রভাবশালী ওই ধর্ষকের পরামর্শে গত ১৫ অক্টোবর ঔষধ সেবনের মাধ্যমে অবৈধ গর্ভপাত ঘটায়। পরে ওই শিশুটিকে বাড়ীর পাশে মাটিচাপা দেয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে ১৬ অক্টোবর মিরপুর থানায় ধর্ষন ও জোর পূর্বক অবৈধ গর্ভপাতের ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ১৭ অক্টোবর মামলার একমাত্র আসামী নুরুজ্জামান পলাশকে পুলিশ আটক করে আদালতে হাজির করা হলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দেয়। আদালত ধর্ষকের পরিচয় নিশ্চিত হতে শিশুটির ভ্রুনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ প্রদান করেন। যার প্রেক্ষিতে শিশুটির ভ্রুন উত্তোলন করা হয়। ডিএনএ’র জন্য নমুনা সংগ্রহ শেষে একই স্থানে তাকে মাটি চাপা দেয়া হয়।

 

দেশতথ্য//এল//

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640