1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

কবি শামসুর রাহমানের ৯২তম জন্মদিন আজ

  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩ বার

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রেম ও মানবতার কবি শামসুর রাহমানের ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২৯ সালের আজকের এইদিনে পুরান ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পৈত্রিক নিবাস বর্তমান নরসিংদী জেলায়।


কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর শামসুর রাহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনারের আয়োজন করেছে।

আজ শুক্রবার বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

সাহিত্য মোদিরা মনে করেন, শামসুর রাহমানের সমগ্র কাব্যজীবনের মূল সুর, মূলত স্বদেশপ্রেম। শত হৃদয়ের কষ্ট-যন্ত্রণা কবিতার স্বরে বেজে উঠেছে তার কণ্ঠে। বেদনার্ত হৃদয়ের বাহক হয়ে রচনা করেছেন অজস্র কবিতা। শামসুর রাহমানের কবিতায় বেদনা, দুঃখবোধ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছিল।

লেখক রনি রেজা তার একটি লেখায় বলেছেন, ‘পঞ্চাশ দশক থেকে বাঙালি জাতির নানা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক জীবনের অসঙ্গতি, বৃটিশদের শোষণের বিরুদ্ধে তার সোচ্চার কণ্ঠ কবিতায় নির্মিত হয় এক অনন্য বাকপ্রতিমা। এজন্য তাকে স্বাধীনতার কবি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ‘স্বাধীনতা তুমি’, ‘তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা’, ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’, ‘হরতাল’, ‘আসাদের শার্ট’, ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’, ‘দুঃস্বপ্নে একদিন’-এর মত কবিতাগুলো রচনা করে স্বাধীনতার কবি হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছেন এই শব্দের ফেরিওয়ালা।’

শামসুর রাহমান ১৯৪৫ সালে পুরনো ঢাকার পোগোজ স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৪৭ সালে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে ভর্তি হন এবং তিন বছর নিয়মিত ক্লাসও করেছিলেন সেখানে। শেষ পর্যন্ত আর চুড়ান্ত পরীক্ষা দেননি। পাসকোর্সে বিএ পাস করে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে এমএ (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করলেও শেষ পর্বের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি।

তিনি ১৯৫৭ সালে দৈনিক মর্নিং নিউজে সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত রেডিও পাকিস্তনের অনুষ্ঠান প্রযোজক ছিলেন। এরপর তিনি আবার ফিরে আসেন তার পুরনো কর্মস্থল দৈনিক মর্নিং নিউজে। তিনি সেখানে ১৯৬০ সাল থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সহযোগী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪ থেকে শুরু করে সরকারি দৈনিক পাকিস্তানের (স্বাধীনতা উত্তর দৈনিক বাংলা) সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৭৭ এর জানুয়ারি পর্যন্ত। ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ সালে তিনি দৈনিক বাংলা ও সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৮৭ সালে সামরিক সরকারের শাসনামলে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।

জীবদ্দশায় শামসুর রাহমানর ৬৬টি কাব্যগ্রন্থ, ৪টি উপন্যাস, ১টি প্রবন্ধগ্রন্থ, ১টি ছড়ার বই ও ৬টি অনুবাদ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তিনি অর্জন করেছেন আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক, জীবনানন্দ পুরস্কার, আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার, মিৎসুবিসি পুরস্কার (সাংবাদিকতার জন্য), স্বাধীনতা পদক, আনন্দ পুরস্কার।

এছাড়াও ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডিলিট উপাধিতে ভূষিত করে এই মহান কবিকে।

২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই কবি। নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ঢাকার বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে সমাধিস্থ করা হয় তাকে। সূত্র: বাসস

দেশতথ্য//এল//

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640