1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০২:৪২ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়া জেলার সকল সংবাদ

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৬ বার

কুষ্টিয়ায় পানিতে ডুবে ২ বছরের শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ায় পানিতে ডুবে দুই বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।  সূত্র জানায়,   ১১ অক্টোবর রবিবার কুষ্টিয়ার ইবি থানার উজান গ্রাম ইউনিয়নের বিত্তিপাড়া বাজারে প্রফেসর এম এ আব্দুল মজিদের বাড়িতে ভাড়ায় থাকা নুর ইসলামের ছোট মেয়ে মোছাঃ নরজাহান(২ বছর) তার ছোট খালা সাহেদার বাড়ি উজান গ্রাম জিকে ক্যানালের পাশে মোঃ বিল্লালের ভাড়ার বাড়িতে সকালে ছোট খালার সাথে বেড়াতে আসলে,ছোট খালার চোখের আড়াল হয়ে ক্যানালের পানিতে নামলেই সে ডুবে যায় ।

পরে তার ছোট খালা অনেক খোজা খুজির পরে পাশেই জিকে ক্যানালে তার লাশ ভেসে ওঠা দেখতে পেয়ে পানি থেকে তাকে তুলে আনে। এ সময় তাকে বিত্তিপাড়া বাজার আজাদ ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে তিনি মৃত্য বলে ঘোষনা করেন।

 

এই বিষয়ে ইবি থানার উজান গ্রাম ইউনিয়নের ৪১ নং বিট পুলিশের দায়িক্তে থাকা আব্দুস সামাদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি খবর পাওয়া মাত্রই এখানে ছূটে আসি তবে ময়না তদন্ত ছাড়া আমি কিছুই বলতে পারবো না । এই বিষয়ে আমি চুল ছেড়া তদন্ত কোরবো। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইবি থানায় কোন অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি ।

 

কুষ্টিয়ায় চাঁদাবাজের অভিযোগে আটক ১

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়া মজমপুর গেট থেকে টোকেন দিয়ে অটোরিকশা ও মাহেন্দ্র থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেংরা শরীফ কে আটক করেছে পুলিশ।

মজমপুর থেকে মিরপুর এলাকা পর্যন্ত চলাচলরত অটোরিকশা থেকে দৈনিক ২০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হয়। এছাড়া লেগুনা, মিনিবাস ও মাহিন্দ্র থেকেও ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়। নাম প্রকাশে একজন অটো রিক্সা চালক বলেন, প্রভাবশালী মাহফুজ ও নেংরা শরীফ তার দলীয় লোকজনকে টাকা দিলে তারা অটোরিকশায় একটি টোকেন নম্বর লিখে দেওয়া হয়। ওই টোকেন না থাকলে কেউ মজমপুর থেকে মিরপুরের সড়কে অটো চালাতে পারে না।

 

এছাড়াও টাকা না দিলে তাদের অটোরিকশা আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন। বিষয়টি ট্রাফিক অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টি আই আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের অবগত হলে তাৎক্ষনিকভাবে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং মাহফুজ পালিয়ে গেলেও নেংরা শরীফকে আটক করেন কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুষ্টিয়া মজমপুর থেকে বিভিন্ন এলাকায় সড়কে দুই শতাধিক অটোরিকশা চলাচল করে। প্রতিদিন এসব রিকশা থেকে ২০ টাকা ও মাসে ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করে মাহফুজ ও নেংরা শরীফের লোকজন। এমনকি মহাসড়কে চলাচলরত দেড় শতাধিক মিনিবাস ও লেগুনাকে প্রতিদিন ৫০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে শরীফ নামে একজন আটক করা হয়েছে। ভবিষ্য এ ধরনের কেউ যদি চাঁদা আদায় করে তাহলে কঠোরভাবে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

কুমারখালীতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ১৫ বছরের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে আপন খালুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ।

ঘটনাটি পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড ঝাউতলা মাঠপাড়াতে ঘটেছে।এঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ এর যৌন পীড়নের অপরাধে মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং- ০৭, তাং- ১১/১০/২০২০।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোঃ শুকুর আলী (৫৫)।সে ওই এলাকার মৃত উমর আলী’র ছেলে।পেশায় একজন পাউয়ারলুম ব্যবসায়ী।ঘটনার পর থেকেই আসামী পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও শিশুটির পরিবার সুত্রে জানা গেছে, নানী শারীরিকভাবে অসু্স্থ হওয়ায় প্রতিবন্ধী শিশুটি মায়ের সাথে নানীদের বাড়িতে থাকে।পাশেই খালু শুকুর আলীর বাড়ি। গত ৮ অক্টোবর দুপুরে শিশুটিকে ঘরের মধ্যে একলা পেয়ে জানালা দিয়ে যৌন হয়রানি করে আপন খালু।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ বলেন, ঘরের মধ্যে একলা পেয়ে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে যৌন হয়রানি করেছে আপন খালু।এ ঘটনায় শিশুটির মা মামলা দায়ের করেছে।

 

মেহেরপুরে ‘আল্লাহর দল’এর ২ সদস্য গ্রেফতার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

মেহেরপুর জেলার গাংনীতে শনিবার গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর সদরের দল মেহেরপুর জেলার গাংনী থানাধীন বাঁশবাড়িয়া বাজারে একটি জঙ্গীবাদ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে “ আল্লাহর দল “ এর ০২ জন সক্রিয় জঙ্গী সদস্যকে গ্রেফতার করে ।

গ্রেফতারকৃতরা মেহেরপুরের ১। মো: মহিদুল ইসলাম(৩৪),পিতা- মো: মজিরুল ইসলাম, ২। মো: পাপন মোল্লা(২৭),পিতা-মো: আব্দুস সালাম। তাদের কাছ থেকে ৩টি জিহাদী বই, ১১ টি জিহাদী লিফলেট উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য যে তাহারা  দীর্ঘদিন যাবত মেহেরপুর জেলায় সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন “ আল্লাহর দল “    এর কাজের সাথে লিপ্ত আছে। তাহারা নতুন সদস্য সংগ্রহ, তাদের মাঝে লিফলেট বিতরন ও নিয়মিত চাদাঁ প্রদান করে থাকে।

পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩) এর ৬(২) এর (ই),(ঈ) /১০/১২/১৩ ধারায় মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাকে উক্ত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

কুষ্টিয়ায় ভুয়া সনদে প্রভাষকের চাকরি!

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার কুমারখালী সরকারি কলেজে ভুয়া সনদে প্রভাষক পদে দীর্ঘ নয় বছর চাকরির পর এক প্রভাষকের জালিয়াতি ধরা পড়েছে।

কলেজটি জাতীয়করণ ঘোষণার পর সনদ যাচাই-বছাইয়ে কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক সাবিরা খাতুনের নিবন্ধন সনদ ভুয়া প্রমাণিত বলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) অধ্যক্ষকে চিঠি পাঠিয়েছে। এছাড়া জালিয়াতির আশ্রয়ে ভুয়া সনদে চাকরির অপরাধে ওই প্রভাষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুমারখালী উপজেলা শহরের বেসরকারি ডিগ্রি কলেজটি সরকারি ঘোষণায় ২০০৮ সালের ৮ আগস্ট জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের পর শিক্ষকদের সনদ যাচাইয়ে আরবী ও ইসলামী শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক সাবিরা খাতুনের নিবন্ধন সনদ ভুয়া প্রমাণিত বলে অতি সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় আওতাধীন এনটিআরসিএর সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ১৬৯৭ স্মারকে সনদ যাচাই সংক্রান্ত চিঠি গত ২৯ সেপ্টেম্বর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। এছাড়া কলেজের অধ্যক্ষকে ই-মেইল মারফত এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। ভুয়া সনদে চাকরির অপরাধে ওই প্রভাষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষকে অবগত করতে নির্দেশ দেয়া হয় অধ্যক্ষকে ।

এনটিআরসিএর প্রেরিত চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয় যে, ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ব্যাচের নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মর্মে সাবিরা খাতুনের দাখিলকৃত নিবন্ধন সনদের রোল নম্বর ২১৪১০৭৯৬, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৮০৫৫৯১১৪ যাচাইকালে সনদটি ভুয়া প্রমাণিত হয়। এছাড়া নিবন্ধন পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ২৭ এবং তিনি ওই নিবন্ধন পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ জালিয়াতির আশ্রয়ে ভুয়া সনদে সাবিরা খাতুন ২০১১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রভাষক পদে কলেজে নিয়োগ লাভ করেন। এরপর ২০১১ সালের ১ মে তিনি এমপিভুক্ত হন। এমপিওভুক্তির পর থেকে দীর্ঘ নয় বছর যাবত অবৈধ পন্থায় সরকারি আর্থিক সুবিধা ভোগ করে আসছেন। তবে এনটিআরসিএর নির্দেশ মোতাবেক কলেজের অধ্যক্ষ অভিযুক্ত প্রভাষকের বিরুদ্ধে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা কিংবা আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি। অভিযুক্ত প্রভাষকের নিবন্ধন সনদ ভুয়া প্রমাণিত সংক্রান্ত চিঠি এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হলেও ওই চিঠিটি অধ্যক্ষের হাতে ডাকযোগে না পৌঁছার অজুহাত দেখিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ ভুয়া সনদধারী ওই প্রভাষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে গড়ি-মসি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে প্রভাষক সাবিরা খাতুনের বক্তব্য জানতে তার ০১৭৬০-০৬১৮২২ নম্বর মোবাইলে বার বার কল করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

কুমারখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শরিফ হোসেন জানান, প্রভাষক সাবিরা খাতুনের নিবন্ধন সনদ ভুয়া সংক্রান্ত বিষয়টি এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট মারফত জেনেছি। তবে এ সংক্রান্ত কোন চিঠি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। চিঠি পাওয়ার পর নির্দেশমত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

 

দেশতথ্য//এল//

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640