1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১২:২১ অপরাহ্ন

নীলফামারী জেলার সকল সংবাদ

  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫ বার

চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেল লাইনে সংযোগ স্থাপন  স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রেলপথ উদ্বোধন

নীলফামারী প্রতিনিধি : বাংলাদেশ-ভারতের পঞ্চম রেল যোগাযোগ হিসাবে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি ৭৮২/২ পিলারের পাশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতিত্বে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর দুইটায় রেল লাইনের সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় জানা যায়, ৮ অক্টোবর হলদিবাড়ি থেকে চিলাহাটি পর্যন্ত পরীক্ষা মূলক ইঞ্জিন চালাবে ভারত। অচিরই এই রেলপথ দিয়ে দুই দেশের ট্রেন সরাসরি চলাচল শুরু করবে। চিলাহাটি-হলদীবাড়ি ইন্টারচেঞ্জ লিংক চালু হলেই দুই দেশের মধ্যে উন্নয়নের দুয়ার খুলে যাবে,লাভবান হবে উভয় দেশ, বদলে যাবে উভয় এলাকার আর্থ সামাজিক চেহারা।
গত ২৮ আগস্ট চিলাহাটির জিরো পয়েন্টে ভারত-বাংলাদশে সংযোগকারী রেলপথের নির্মাণ কাজের পরির্দশনে আসেন রেলপথ মন্ত্রী অ্যাড. মো. নূরুল ইসলাম সুজন এমপি। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ২০২১ সালের ২৬ র্মাচ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর র্পূতি উপলক্ষে বন্ধু প্রতিম দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে র্দীর্ঘদিনের বন্ধ হয়ে থাকা চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।
১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট ভারত ভাগের পরও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সময় চিলাহাটি-হলদিবাড়ির মধ্যে এই ইন্টারচেঞ্জ চালু ছিল। সে সময় চিলাহাটি ও হলদিবাড়ী স্টেশনের উজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণ করে এখনও গর্ববোধ করেন এলাকার বাসিন্দারা। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত হলদিবাড়ির সঙ্গে তদানীন্তর পাকিস্তানের রেল যোগাযোগ চালু ছিল। ১৯৪৭ সালের ভারতের স্বাধীনতার আগে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি দিয়ে সরাসরি কলকাতার রেল যোগাযোগ চালু ছিল।। ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধের পর রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে চিলাহাটি ও হলদিবাড়ী রেলষ্টেশন দুটি পুরোদমে চালু রয়েছে। চিলাহাটি থেকে ঢাকা,খুলনা,রাজশাহী ও অপর দিকে হলদিবাড়ী হতে ভারতের বিভিন্ন রুটে নিয়মিত ট্রেন চলাচল করছে।

 

সৈয়দপুরে নারী পুলিশকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি : বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নারী পুলিশকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি আবু নাসের রায়হানের বিরুদ্ধে তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে (৬ অক্টোবর) নীলফামারীর সৈয়দপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
জানা গেছে, ওই নারী পুলিশ প্রশিক্ষণ শেষে বিগত ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর পুলিশ কনস্টেবল পদে নীলফামারী পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। এরপর থেকেই নীলফামারী রিজার্ভ অফিস ইন্সপেক্টর (বর্তমানে বরিশাল ডিআইজি অফিসে ওসি তদন্ত হিসেবে কর্মরত) আবু নাসের রায়হান প্রায়ই তাকে উত্যক্ত করতো এবং বিভিন্ন ধরণের কুপ্রস্তাব দিতো। ভিকটিম তার অধস্তন কর্মচারী হওয়ায় মুখ বুঝে তা সহ্য করে যাচ্ছিল।
এদিকে আবু নাসের রায়হানের স্ত্রী নীলফামারী জজ কোর্টের পেশকার হওয়ায় তিনি কর্মস্থলে গেলে বিভিন্ন অজুহাতে ভিকটিমকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে অশ্লীল পর্ণ ছবি দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব দিতো। এরই এক পর্যায়ে ২০১৬ সাল থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং তাদের এ সম্পর্কের কথা জানিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে পূর্বের স্বামীকে তালাক প্রদানে বাধ্য করেন। স্বামীকে তালাক দেয়ার পরও দীর্ঘদিনেও বিয়ে না করায় চাপ দিলে একদিন হুজুর প্রকৃতির একজন লোক ডেকে এনে সুরা কালাম পড়ে বিয়ে করেন। কিন্তু কাজীর মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করার কথা বললে আবু রায়হান বলেন, আমরা তো আল্লাহকে স্বাক্ষী রেখে বিয়ে করেছি, রেজিষ্ট্রির প্রয়োজন নেই। এভাবে বিয়ের নামে দীর্ঘদিন থেকে ধর্ষণ করে আসছিল।
বিষয়টি জানতে পেরে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন রেজিষ্ট্রি বিয়ের চাপ দিলে কালক্ষেপন করতে থাকেন এবং উল্টো তাদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন। পরে কৌশল করে ভিকটিমকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পুলিশ লাইনে এবং নিজে বরিশাল ডিআইজি অফিসে বদলী হয়ে যান। এখন সে তাদের সম্পর্ক সম্পূর্ণরুপে অস্বীকার করেন। এতে ভিকটিম চরম বিপাকে পরে উপায়ন্তর না পেয়ে প্রথমে বরিশাল ডিআইজি বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন এবং নিজ জেলা ঠাকুরগাঁয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৮৮/২০২০ ইং।
এরই প্রেক্ষিতে বরিশাল ডিআইজি তদন্তের নির্দেশ দিলে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সৈয়দপুর সার্কেল কার্যালয়ে ভিকটিমকে ডেকে নিয়ে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।
ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল জানান, এ সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত চলছে।

 

সৈয়দপুরে যৌন হয়রানির দায়ে তরুণের কারাদন্ড
নীলফামারী প্রতিনিধি : একজন নারী (২২) এনজিও কর্মীকে পথে আটকে ওড়না টেনে শ্লীলতাহানি ঘটানোর অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক তরুণকে ৩ মাসের জেল দিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার ( ৬ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারীরর সৈয়দপুর উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই তরুণকে ওই সাজা প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, পাশের রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার খানাবাড়ী গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (২৪) দুপুরে নির্জন এলাকায় পথচারী নারী এনজিও কর্মীর ওড়না টেনে ধরে ধস্তাধস্তি করতে করতে থাকেন। এ সময় মেয়েটি নিজেকে বাঁচাতে চিৎকার শুরু করেন। ফলে অন্য পথচারীরা ধরে ফেলেন তরুণকে।
এলাকাবাসীর দেওয়া খবরে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। খবর পেয়ে ওই এলাকায় আসেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রমিজ আলম। তিনি বখাটে তরুণকে তিনমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। বিকেলে অভিযুক্তকে নীলফামারী জেল হাজতে পাঠানো হয়।

 

দেশতথ্য//এল//

 

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640