1. nannunews7@gmail.com : admin :
  2. labonnohaq71@gmail.com : Labonno Haq : Labonno Haq
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১২:৪২ অপরাহ্ন

দিনাজপুর জেলার সকল সংবাদ

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৭ বার
?

দিনাজপুরে স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে জোরপূর্বক রাস্তা থেকে অপহরণ

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর : দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জে ঘর-সংসার করার প্রলোভন দিয়ে অবুঝ অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক মেয়েকে জোরপূর্বক রাস্তা থেকে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছেন মেয়ের মা আফরোজা পারভীন। থানা পুলিশ এবং আদালত করেও কোন লঅভ হয়নি। থানা পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখছে আসামীরা জামিনে বেরিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেরাচ্ছে আর বাদীকে হুমকি দিচ্ছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নিমতলাস্থ দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংসাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করেন জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলা (শাহাপাড়া) গ্রামের মোঃ জাহেদ’র স্ত্রী মেয়ে মা মোছাঃ আফরোজ পারভীন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার মেয়ে মোছাঃ ইসমেত জেরিন বয়স ১৭ বছর। সে চলতি ২০২০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। আমার মেয়েকে রাস্তা-ঘাটে উত্তক্ত করতো ও তাকে ফুসলিয়ে এবং ভুল বুঝিয়ে ঘর-সংসার করার প্রলোভন দিয়ে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে আসছিল বোচাগঞ্জ উপজেলার আটগাঁও গ্রামের মোঃ মজিবর রহমানের ছেলে বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক নাজমুল ইসলাম (৩৫)। এ বিষয়টি আমি জানতে পেরে নাজমুল ইসলামের পরিবারের লোকজনকে জানাই এবং আমার মেয়ের সাথে যোগাযোগ না করতে ও তাকে উত্তক্ত না করতে নিষেধ করি। কিন্তু নাজমুল ইসলাম আমার বাধা নিষেধ অমান্য করে আমার মেয়ের সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা অব্যাহত রাখে।
গত ১০-০৯-২০২০ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০টায় আমার সেতাবগঞ্জ শহরে অবস্থিত স্কয়ার কোচিং সেন্টারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী হতে বের হলে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা নাজমুল ইসলাম ও তার সহযোগিরা আমার মেয়েকে রাস্তায় একা পেয়ে জোরপূর্বক অটোভ্যানে তুলে দিনাজপুরের দিকে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীর নিকট এ খবর জানতে পেরে মেহেদী হাসান, ২নং ইশানিয়া ইউপি সদস্য রিয়াজুল ইসলাম, আটগাঁও ইউপি সদস্য মোঃ আহসান ও বরুয়া গ্রামের শুভকে সাথে নিয়ে আমার মেয়েকে উদ্ধার করতে নাজমুলের বাড়ীতে গেলে নাজমুল ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়েকে আমাদের হাতে না দিয়ে উল্টো আমাদেরকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে তাদের বাড়ী হতে বের করে দেয়। আমার মেয়েকে আনতে পরবর্তিতে তাদের বাড়ীতে গেলে প্রাণনাশের ভয়ভীতি, শারিরিকভাবে লাঞ্চিত ও মামলা দিয়ে জেলে পাঠাবে বলে হুমকিও দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে আফরোজা পারভীন আরো বলেন, এ বিষয়টি বোচাগঞ্জ থানা কর্তৃপক্ষকে জানালে থানা কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে মামলা করতে বলে। থানা পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী গত ১২-০৯-২০২০ তারিখ নাজমুল ইসলাম (৩৫) তার ভাই মোঃ রুবেল মিয়া (৩০), পিতা মোঃ মজিবর রহমান (৫৫), নাজমুলের মাতা মোছাঃ লায়লা বেগম (৫০) ও নাজমুলের দাদী মৃত ইয়াকুব আলীর স্ত্রী মোছা ঃ মর্জিনা বেগম (৭০) এই ৫ জনকে আসামী করে আমি বোচাগঞ্জ থানায় একটি মামলা করি। মামলা নং-০৩, তারিখ-১২-০৯-২০২০ ইং, ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত/০৩) এর ৭/৩০। মামলা করার পর আসামী রুবেলকে (৩০) পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে সে আদালত থেকে জামিনে রেবিয়ে আসে।
তিনি আরো বলেন, আসামী রুবেল জামিনে মুক্ত হয়ে আমার বাড়ীতে গিয়ে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নিলে তোমার মেয়েকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিবো। তোমরা কি করতে পারো দেখে নিবো। এ ঘটনার পর বিষয়টি অবহিত করে বোচাগঞ্জ থানায় আমি একটি জিডি করি। জিডি নং-৬৪৫, তারিখ-১৭-০৯-২০২০।
তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত বোচাগঞ্জ থানা পুলিশ আমার মেয়েকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করতে পারেনি। বর্তমানে আমার মেয়ে কোথায় ও কিভাবে আছে তা জানি না। আসামীরা আমার মেয়েকে জোরপূর্বক আটকিয়ে রেখেছে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মাধ্যমে নাজমুল ও তার পরিবারের লোকজনের হাত থেকে মেয়েকে উদ্ধারে আইন শঙ্খলাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মেয়ের মা আফরোজা পারভীন।

 

দিনাজপুরে বেকারত্বের হার বাড়ছে ব্যাপক হারে

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর : করোনা ভাইরাস কিছুটা স্বাভাবিক হলেও বেকারত্বেরহার বাড়ছে। দোকান পাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কেনাবেচা নাই বলেই কর্মচারী ছাটাই করা হয়েছে। এসব কর্মচারী বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে গুরে বেরাচ্ছে এর্ব নানা অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে।

দিনাজপুরে করোনা ভাইরাসের আক্রমন কিছুটা কম হলেও মানুষ কাজ পাচ্ছে না। চাকরিজীবী কর্মচারীরা ছাটাই হওয়ার পর থেকে বেকারত্বের অভিশাফ নিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও তেমন আগের মত কেনাবেচা নাই। বেকার যুবকরা বেকারত্বের অভিশাফ নিয়ে দিক বিদিক ছুটোছুটি করছে। কাজ না পেয়ে নানা অপরাধ কাজে জড়িয়ে পরছে। মিল কল কারকানাতেও একই অবস্থা। এন,এ মার্কেটে পূর্বের অবস্থায় ফিরে এসেছে। কিন্তু কেনাবেচা খুব কম। বড় ময়দান, সড়ক বিভাগ সংলগ্ন এলাকায় মাছের বাজার বসেছিল, ঈদগাহ মাঠে মুরগী ও গরুর মাংসের বাজার বসানো হয়েছিল এবং জিলা স্কুল মাঠে পাইকারী বাজার বসানো হয়েছিল। সব বাজার আবার এন এ মার্কেটে বসানো হয়েছে। ক্রেতা বিক্রেতা ভরি কিছুটা হলেও মাস্ক ব্যবহার করছে না কেউ। বাজারে দোকান গুলোতে যারা কাজ করতো তারা সবাই বেকার হয়ে পরেছে। ব্যবসায়ীদেরও কেনাবেচা খুব কম। সব মিলিয়ে জেলায় বেকারের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। শিক্ষিত যুবকরা চাকুরী না পেয়ে নানা অপরাদ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরছে। কাজের বড় অভাব! চালকল গুলোতেও শ্রমিক ছাটাই করা হয়েছে। বেকার শ্রমিকরা কাজের সন্ধানে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। বিত্তবানরা নাকে তেল দিয়ে গুমোচ্ছে। কাচ্ছে দাচ্ছে আর বাড়ীতে শুয়ে থাকছে। যারা কাজ করতো তাদের দুরবস্থা। তাদের দেকার মত কেউ নেই। দোতলা তিনতলায় থাকছে আর বেকারদের তামাসা দেখছে। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারী চাকুরী নিয়োগ নাই। সারাদেশে কোটি কোটি বেকার যুবক কাজ না পেয়ে হতাশায় ভুগছে।

 

দিনাজপুরে বাজারে অভিযান করে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যে কোন ধরনের অপরাধী, অপহরণ, মাদক উদ্ধার, অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে সার্বক্ষণিকভাবে তৎপর থাকে এবং অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৩, ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানী-১, দিনাজপুর এর একটি আভিযানিক দল তারিখ ০৪ অক্টোবর ২০২০ খ্রিঃ দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে লেফটেন্যান্ট আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসপি সামুয়েল সাংমা দ্বয়ের নেতৃত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাহরিয়ার রহমান কর্তৃক যৌথভাবে বিশেষ বাজার মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬ এর ৬(১) ধারায় ১। বসরা অটো রাইস মিল এর মালিক মোঃ অভিজিৎ দে রানা (৫১), পিতা- বিমল কুমার দে, সাং- বড়বন্দর, থানা- কোতয়ালী, জেলা- দিনাজপুর’কে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ২। মেসার্স দুই ভাই ট্রেডার্স এর মালিক ত্রিলোচন কুমার (৪৯), সাং- রানীগঞ্জ, থানা- কোতয়ালী, জেলা- দিনাজপুর’কে একই আইনের একই ধারায় ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা এবং মেসার্স হানুফা অটো রাইস মিল এর ম্যানেজার মোঃ সুজন ইসলাম (২৬), পিতা- মোঃ মজনু মিয়া, সাং- চাউলিয়াপট্টি, থানা- কোতয়ালী, জেলা- দিনাজপুর’কে একই আইনের একই ধারায় ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা সহ সর্বমোট ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয়।

দিনাজপুরের বিরলে ধর্ষিতার বাবাকে ধর্ষকের পিতার
হুমকি ॥ অতঃপর জেল হাজতে

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর : পুত্র ধর্ষণ করেছে। তাকে বাঁচাতে মাঠে নেমেছে পিতা। ধর্ষিতার বাবাসহ পরিবারের লোকজনকে দিচ্ছে নানা ধরণের হুমকি-ধামকি। অবশেষে পুলিশ পিতা মোঃ সাখাওয়াত হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামী পক্ষের আইনজীবীগণ জামিন আবেদন করলেও আদালত তা না মঞ্জুর করে দেন। ধর্ষণের ওই ঘটনাটি ঘটেছে বিরল উপজেলার ৬নং ভান্ডারা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে। এ ব্যাপারে বিরল থানার মামলা নং-২, তারিখ ০৩/১০/২০২০ইং ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/০৩) ৯ (১) তৎসহ ৫০৬ দঃবিঃ।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর বিরল উপজেলার রামপুর গ্রামের একজন ভ্যান চালকের নাবালিকা কন্যা মমতা খাতুনকে (ছদ্ম নাম) মুখ চেঁপে ধরে পার্শ্ববর্তী জনৈক ওয়াহেদ আলী বাবুলের লিচু বাগানের মাঝখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। মমতা খাতুনের চিৎকারে প্রতিবেশী আব্দুল মতিন, ফরিদা বেগম দৌড়ে আসে। তারা টর্চলাইট নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় ধর্ষণকারী জাহিদুর রহমান মমতা খাতুনকে ছেড়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে মমতা খাতুন ওই প্রতিবেশীদ্বয় ও তার মাকে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলে। বিষয়টি জানাজানির পর জাহিদুরের পিতা সাখাওয়াত হোসেন আপোষ-মিমাংসার প্রস্তাব দিয়ে মূলত: সময় ক্ষেপন ও টালবাহানা করতে থাকে। এর মধ্যে মমতা খাতুনের বাবাসহ পরিবারের লোকজনদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করতে থাকে। এক পর্যায়ে সাখাওয়াত ঘোষনা দেয়, আমি কোনো মিমাংসা করতে পারবো না, তোমাদের কিছু করার থাকলে করো। এমন পরিস্থিতিতে গত ৩ অক্টোবর সন্ধায় মমতা খাতুনের পিতা বাদী হয়ে বিরল থানায় মামলা দায়ের করে। পরে বিরল থানা পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করে। মামলার ১নং আসামী জাহিদুর রহমান গাঢাকা দেওয়ায় তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযানকালে পুলিশঅপর আসামী ধর্ষক জাহিদুরের পিতা সাখাওয়াত হোসেনকে গ্রেফতার করে।

 

দিনাজপুর পৌর এলাকায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন
কর্মসূচীর উদ্বোধন করলেন মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম
স্টাফ রির্পোটার, দিনাজপুর : দিনাজপুর পৌর এলাকায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেছেন দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সকালে দিনাজপুর পৌরভবন কেন্দ্রে দুইজন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে পৌর এলাকায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য পবিদর্শক মোঃ লিয়াকত আলী, পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের সুপারভিজার মোমরেজ সুলতানা মালাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
দিনাজপুর পৌরসভার ১২০টি কেন্দ্রে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কর্মসূচী পালন করা হয়। পৌরসভার ১২টি ওযার্ডে ১৮ হাজার ৯৩৩ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ২৭৮৯ শিশুকে একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ১৬ হাজার ১৪৪ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচী সফল করতে পৌর এলাকার ১২০টি কেন্দ্রে ৩৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক কর্মী কাজ করেন। স্বেচ্ছাসেবকদের তদারকি করেন ১২টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের কারণে এবারে একদিনের পরিবর্তে ৪ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল কর্মসূচী পালন করা হবে। তবে দিনাজপুর পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে ৪ অক্টোবর রবিবার থেকে ৭ অক্টোবর বুধবার পর্যন্ত এই ৪ দিন প্রতিদিন সকাল ৮টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো কর্মসূচী পালন করা হবে।

দেশতথ্য//এল//

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Deshtathya
Theme Design By : Rubel Ahammed Nannu : 01711011640